শুরুটা হয়েছিল ২০২৫ সালে, মাত্র সাতজনকে নিয়ে। গ্রামের পথে একসঙ্গে দৌড়ানোর সেই ছোট্ট উদ্যোগ পরের বছরই ২০২৬ সালে হয়ে ওঠে ১৮০ জন দৌড়বিদ ও হাজারো মানুষের মিলনমেলা। পথের পাশে মানুষের উৎসাহ, গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর অংশগ্রহণকারীদের ভালোবাসায় ভিলেজ ম্যারাথন ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে।
সেই পথচলার ধারাবাহিকতায় এবার আমাদের প্রস্তুতি ভিলেজ ম্যারাথন ২০২৭ নিয়ে। লক্ষ্য ৫০০ জন দৌড়বিদের অংশগ্রহণ এবং ১০টি গ্রামের মধ্য দিয়ে দৌড়ের আয়োজন। সাতজনের সেই শুরুকে সঙ্গে নিয়েই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি আরও বেশি মানুষকে এই অভিজ্ঞতায় যুক্ত করার স্বপ্ন নিয়ে।

২০২৫: মাত্র সাতজনকে নিয়ে পথচলা শুরু
ভিলেজ ম্যারাথনের প্রথম অধ্যায় শুরু হয় ২০২৫ সালে, সাতজনের অংশগ্রহণে। সংখ্যায় ছোট হলেও সেই উদ্যোগই আজকের আয়োজনের ভিত্তি।
এখন আয়োজনের পরিসর বাড়ছে, যুক্ত হচ্ছেন নতুন দৌড়বিদ ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। তবে শুরুর সেই সাতজনের পথচলা আমাদের কাছে বিশেষ হয়ে থাকবে। সেই ছোট্ট শুরু মনে করিয়ে দেয়—একটি উদ্যোগ মানুষের ভালোবাসা পেলে ধীরে ধীরে কত দূর এগিয়ে যেতে পারে।
২০২৬: ছয় গ্রামের পথে ১৮০ দৌড়বিদ
২০২৬ সালে ভিলেজ ম্যারাথনে অংশ নেন ১৮০ জন দৌড়বিদ। ছয়টি গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মধ্য দিয়ে তাঁদের দৌড় এবং আয়োজন ঘিরে হাজারো মানুষের সমাগম আমাদের জন্য স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে রয়েছে।
দৌড়বিদদের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের উৎসাহ আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে। গ্রামের চেনা পথ হয়ে ওঠে অংশগ্রহণকারী ও দর্শকদের মিলনস্থল। আগের বছরের সাতজন থেকে ১৮০ জনের অংশগ্রহণ—এই অগ্রগতি আমাদের আরও বড় পরিসরে আয়োজনের সাহস দিয়েছে।
আয়োজনের সাড়া পৌঁছেছে সোশ্যাল মিডিয়াতেও। ২০২৬ সালে আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া রিচ ছিল আড়াই লাখের বেশি। গ্রামের এই উদ্যোগের খবর এত মানুষের কাছে পৌঁছানো আমাদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা।
২০২৭: লক্ষ্য ৫০০ দৌড়বিদ, রুটে ১০টি গ্রাম
ভিলেজ ম্যারাথন ২০২৭-এ আমাদের লক্ষ্য ৫০০ জন দৌড়বিদের অংশগ্রহণ। আগের আয়োজনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এবার আরও বেশি মানুষকে গ্রামের পথে দৌড়ানোর আনন্দে যুক্ত করতে চাই।
এবারের পরিকল্পিত রুট যাবে ১০টি গ্রামের মধ্য দিয়ে। দৌড়বিদরা আরও বিস্তৃত এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও গ্রামীণ পরিবেশ উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে আরও বেশি গ্রামের মানুষ এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন।
আমাদের প্রত্যাশা, অংশগ্রহণকারীরা দৌড় শেষে নিজেদের অর্জনের আনন্দের পাশাপাশি গ্রামের মানুষের আন্তরিকতা ও সুন্দর পথের স্মৃতিও সঙ্গে নিয়ে ফিরবেন।

